Breaking News
Home / হেলথ টিপস / বুক জ্বালা কমানোর উপায় – বুকজ্বালা কমবে যেসব খাবারে

বুক জ্বালা কমানোর উপায় – বুকজ্বালা কমবে যেসব খাবারে

বুক জ্বালা কমানোর উপায় – হার্টবার্ন বা বুকজ্বালা এমন এক সমস্যা যা গ্যাস্ট্রিকের কারণে সৃষ্টি হয়ে থাকে। আর পৃথিবীতে লাখ লাখ মানুষ এইমন সমস্যায় ভুগছে। গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড আমাদের খাদ্যনালিতে প্রবেশ করে বুকজ্বালা সৃষ্টি করে থাকে। এর ফলে বুক ও পাকস্থলিতে অস্বস্তিকর অবস্থার সৃষ্টি হয়ে থাকে। অনেক সময় পেট ফুলে যায়, টক লাগা কিংবা স্বাদহীন অনুভবসহ নানা সমস্যার উদ্রেক হয়।

বুক জ্বালা কমানোর উপায় – বুকজ্বালা কমবে যেসব খাবারে

জানতে হবে এর স্বাস্থ্যবিষয়ক আজকের আলোচনায় আমরা বুক জ্বালা কমানোর উপায় সম্পর্কে আলোচনা করবো, বুকজ্বালা সাধারণত কিছু খাবার ও কোমল পানীয়ের কারণে হতে পারে। যেমন বার্গার, মূলা ইত্যাদি খাওয়ার কারণে বুকজ্বালা হয়ে থাকে। বুকজ্বালার কারণে গ্যাস্ট্রোফিজিয়েল রিফ্লাক্স ডিজিজ (জিইআরডি) হতে পারে, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই বুকজ্বালা দীর্ঘদিন হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া খুবি গুরুত্বপূর্ন।

আরো পড়ুনঃ করোনা ভাইরাস লক্ষণ দেখা দিলে কি খাবেন

তবে কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলো বুকজ্বালা থেকে স্বস্তি দিতে পারে। অনেক খাবার রয়েছে, যেগুলো বুকজ্বালা, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমায় এবং হজমে সাহায্য করে। যেমন নারকেলের পানি বা স্বাস্থ্যকর যেকোন পানীয়, যা বুকজ্বালা দূর করতে সহায়তা করে। আজকে আমরা এমন কিছু খাবারের কথা আলোচনা করছি যা বুক জ্বালা কমানোর উপায় হিসেবে কাজ করবে—

দই

দই ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ যা বুকজ্বালা কমাতে সাহায্য করে। দই হজমপ্রক্রিয়াইয় সাহয্য করে থাকে। আপনি চাইলে দইয়ের চিনি মিশিয়ে অথবা লাচ্ছি বানিয়েও খেতে পারেন। বুকজ্বালা থেকে রক্ষা পেতে প্রতিদিন দুই-তিন গ্লাস এটি পান করতে পারেন।

পেঁপে

পেঁপেতে পেপেইন (একধরনের প্রোটোলিটিক এনজাইম) রয়েছে, যা হজমশক্তি বাড়ায়। খাবার হজমশক্তি বাড়াতে দুপুরে খাওয়ার পর পেঁপে খেতে পারেন। আপনি চাইলে তাজা পেঁপে বা পেঁপের জুস খেতে পারে যা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুবি উপকারি।

কমলালেবু

লেবুবর্গীয় এই ফলের স্বাদ, টক এবং বুকজ্বালার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক প্রতিষেধক। কমলালেবুতে রয়েছে এসিটিক অ্যাসিড ও অ্যাসকরবিক অ্যাসিড, যা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করে।

আরো জানুনঃ পুড়ে গেলে করনীয় – গরম পানিতে পুড়ে গেলে কী করবেন

অ্যালোভেরার জুস

বিজ্ঞানীদের অনেকে বলেন, অ্যালোভেরা হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরিকে মেরে ফেলে (গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড বাড়াতে সহায়ক ব্যাকটেরিয়া)। এ ছাড়া অ্যালোভেরা ভিটামিন এ, বি১, বি২, বি৩, সি ও ই সমৃদ্ধ; অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য, যা বুকজ্বালা উপশমে সহায়তা করে।

কলা

কলা হলো প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড, যা বুকজ্বালা থেকে তাৎক্ষণিক মুক্তি দেয়। এটি হজমপ্রক্রিয়ায় সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয়।

আপেল

আপেলে রয়েছে ফেনোলিক ফাইটোকেমিক্যালস, যেমন প্রোকায়ানিন, কোরেসেটিন, এপিকেচিন ও কার্বোহাইড্রেট, যা বুকজ্বালা দূর করতে সহায়ক।

সামুদ্রিক খাবার

সামুদ্রিক খাবার, বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছে রয়েছে টাউরিন, যা গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে।

দুধ

যদি কাঁচা দুধ খেতে পারেন, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে বুকজ্বালা দূর হবে। আপনি এতে এক চামচ মধু যুক্ত করতে পারেন দুধের সাথে মধু মেশালে তা অন্যরকম এক স্বাদে পরিনত হয়। বুকজ্বালা নিরাময়ে বহুকাল ধরে কাঁচা দুধের ব্যবহার হয়ে আসছে। এটি পাকস্থলির প্রদাহ কমাতেও সাহায্য করে।

লেবু

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ লেবুতে রয়েছে এসিটিক অ্যাসিড, যা বুকজ্বালা নিরাময় করে এবং হজমশক্তি বাড়ায়। এক গ্লাস লেবুর জুস গ্যাস ও পেট ফাঁপা থেকে আপনাকে মুক্তি দেবে।

Check Also

খিদে লাগলেও খাবেন না

খিদে লাগলেও খাবেন না যেসব খাবার

খিদে লাগলেও খাবেন না যেসব খাবার – গোগ্রাসে খাওয়া এই শব্দটির সাথে অনেকেই পরিচিত। প্রচণ্ড …

Leave a Reply

Your email address will not be published.