Breaking News
Home / বিনোদন / শবনম ফারিয়ার সংসার দুই বছরও টিকল না

শবনম ফারিয়ার সংসার দুই বছরও টিকল না

শবনম ফারিয়ার সংসার দুই বছরও টিকল না – তারাকাদের বিয়ে সংসার নিয়ে আগ্রহ কমবেশি সবারি আছে কিন্তু বিচ্ছেদ হয়ত কেউই চান না। তবু কেন যেন বিচ্ছেদের খবর ঘুরেফিরে আসে শোভিজ পাড়ায়। সবথেকে হাসিখুশি দম্পতিকেই দেখা যায় বিচ্ছেদের কাটগড়ায় দাঁড়াতে। তারাকাদের আলো জ্বলমলে জগতটা কেমন যেন নিকোষ কালো অন্ধকার। তীব্র মেকাপের জৌলুসে ঢাকা পড়ে আছে কষ্ট, অভিমান, আর রাগ। তাদের নিয়ে ভক্তদের আশা ভরসা অনেক তবে সেই আশা ভরসা কতটুকুই রাখতে পারেন তারা।

শবনম ফারিয়ার সংসার

শবনম ফারিয়া ডিভোর্স

বিবাহ বিচ্ছেদ কেউ চান না সেটা সাধারন কেউ হোক বা তারাকরা। তবে মতের অমিল হলেই একি চাদের নিচে থাকাটা হয়ত আর হয়ে উঠেনা। নিজেদের জীবন সহজ করতে তখন তারা বিচ্ছেদের মতো সিদ্ধান্তকে বেঁচে নেন। তবে তারকাদের বিয়েতে যত হৈহুল্লোড় হয় কিন্তু বিচ্ছেদটা হয় একেবারে লুকোচুরি করে। বিচ্ছেদের ঘটনা জানা যায় অনেক অনেক পরে।

তবে এর পুরো বিপরীত কাজ করলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট করে তার বিচ্ছেদের কথা তিনি জানিয়ে দিলেন অকপটে। অনেকেই শুনে হয়ত অবাক হবে কারন সোশ্যাল মিডিয়াতে এখনো ঢুঁ মারলে দেখা যায় এই দম্পতির বিয়ের ভিডিও। বিয়ের সময় সেই অসাধারণ মুহুর্তগুলো যা তারা সারাজীবনের সৃতি হিসেবে তারা করে রেখেছিলেন।

আরো পড়ুনঃ অভিনয় ছেড়ে মুফতিকে বিয়ে করে ট্রলের শিকার সানা

কত কত তারকাদের সঙ্গে নিয়ে শবনম ফারিয়া এর জমকালো সেই বিয়ে নিমিষেই যেন ভেঙে চুরমার। বিয়ের বয়স বছর আড়াই হবে এত জলদি ফুরিয়ে গেলো সংসার আর তা দেখে অবাক হচ্ছেন সবাই। কিন্তু কি আর করা বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টানার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফারিয়া লিখেছেন আমার মা সব সময় একটা কথা বলে আল্লাহর হুকুম ছাড়া একটা গাছের পাতাও নড়ে না। আমরা শুধু চেষ্টা করতে পারি ঠিক তেমনিভাবে আমি আর অপু অনেকদিন ধরেই চেষ্টা করেছি একসাথে থাকতে।

কিন্তু বিষয়টা একটা পর্যায়ে কঠিন হয়ে যায়। মানুষ কি বলবে এই ভেবে নিজেদের উপর একটু বেশি টর্চার করে ফেলেছি আমরা। জীবনটা অনেক ছোট এত কষ্ট নিয়ে বেঁচে থাকার কি দরকার.? এটা ভেবে এবছরের শুরু থেকে সিদ্ধান্তে আসি আমরা আর একসাথে থেকে কষ্টে থাকতে চায় না। তাও বছরখানেক সময় নিয়েছি পরস্পরকে বুঝতে। ফাইনালি আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন ভেবে আমরা আমাদের প্রায় আড়াই বছরের বৈবাহিক জীবনের অবসান ঘটিয়ে আবারো ৫ বছরের পুরোনো বন্ধুত্বে ফিরে গিয়েছি।

বিবাহ বিচ্ছেদ হয় কিন্তু ভালবাসায় বিচ্ছেদ নেই, বন্ধুত্বের বিচ্চেদ নেই যতদিন বেঁচে আছি আমাদের ভালবাসা আর বন্ধুত্ব থাকবে। শুধুমাত্র বৈবাহিক বন্ধন থেকে আমাদের সম্পর্কের ইতি টেনে নিলাম। এ ঘটনা আমাদের জীবনে গতি হয়ত রোধ করবে, ছন্দপতন করবে কিন্তু জীবন তো থেমে থাকবেনা। অপুর জন্য আমার অনেক অনেক দোয়া, ভালবাসা আর শুভকামনা।

আমরা যে সুখের জন্য আলাদা হলাম আমরা যেন সেই সুখ খুঁজে পাই। এমনকি সুখের জন্য এই বিবাহ বিচ্ছেদ তা ফারিয়া না জানালেও সময় ঠিকই জানিয়ে দিবে। ২০১৫ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে হারুনুর রশিদ অপুর সঙ্গে শবনম ফারিয়ার বন্ধুত্ব হয়। এরপর ফেসবুকের মাধ্যমে তিন বছর ধরে চলে তাদের সম্পর্ক। ২০১৮ সালে আংটি বদল অবশেষে ২০১৯ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *